WEST BENGAL ASSEMBLY ELECTIONS-2011

REELECT LEFT FRONT GOVERNMENT OF WEST BENGAL FOR 8TH SUCCESSIVE TERM TO SAVE DEMOCRACY AND LEFTISM IN INDIA

Wednesday, April 9, 2014

টেট পরীক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ টেট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়েও চরম বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দেওয়া তথ্যের মধ্যেও বিরাট গরমিল আছে। এমনকি জানা গেছে, চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনও হয়েছে। সামগ্রিকভাবে রাজ্যে টেট পরীক্ষা নিয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

টেট পরীক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি প্রণবকুমার চ্যাটার্জির নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চে টেট পরীক্ষা সংক্রান্ত দায়ের হওয়া পৃথক একটি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সচিব রত্না বাগচী একটি হলফনামায় বিভিন্ন সময় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন রকমের তথ্য দিয়েছেন। কখনও বলা হয়েছে ৫৫লক্ষ পরীক্ষার্থী টেট পরীক্ষা দিয়েছেন। কখনও বলা হয়েছে ৪৫লক্ষ পরীক্ষার্থী ছিল, আবার কখনও বলা হয়েছে ৩০লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে। আবার যখন পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে তখন বলা হয়েছে ১৮লক্ষ পরীক্ষার্থীর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে বলা হয়েছে পরীক্ষার্থীদের কাছে ফরম বিক্রি করে ৫৫কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

টেট পরীক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ টেট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়েও চরম বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দেওয়া তথ্যের মধ্যেও বিরাট গরমিল আছে। এমনকি জানা গেছে, চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনও হয়েছে। সামগ্রিকভাবে রাজ্যে টেট পরীক্ষা নিয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

টেট পরীক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে আবেদনকারীরা বলেছেন, প্রকৃত অবস্থায় দেখা গেছে, টেট পরীক্ষা নিয়ে বহু অনিয়ম হয়েছে। পরীক্ষা দিয়ে ভালো ফল করেও চাকরি প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মী, সমর্থক এবং ঐ রাজনৈতিক দলের পরিবারের লোকজন চাকরি পেয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য এবং পর্ষদের দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলার সভাপতি সুরঞ্জনা চক্রবর্তী প্রকাশ্যে যে কথা বলেছেন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হয়নি। বেছে বেছে চাকরি দেওয়া হয়েছে। মেধা এবং টেট পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রার্থীদের যোগ্যতা বিবেচনা করা হয়নি।

‘মুকুল রায়ের দেওয়া লিস্ট অনুযায়ী সকলেই চাকরি পেয়েছেন, অন্য দলের কাউকে তো চাকরি দেওয়া হয়নি।’ -দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের জেলা সভাপতি সুরঞ্জনা চক্রবর্তী

‘তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এবং তৃণমূলের ঘরের ছেলেরাই চাকরি পাবে।’ - প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য

এপ্রিল— ‘তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এবং তৃণমূলের ঘরের ছেলেরাই চাকরি পাবে।’ - প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য

কলকাতা, ৮ই এপ্রিল— মঙ্গলবার একটি জনস্বার্থের মামলায় টেট পরীক্ষার্থীরা বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে তা সরকারের আধিকারিকরাই বলেছেন। এই দুর্নীতির ফলে বহু যোগ্য প্রার্থী চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে জনস্বার্থে আদালত গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখুক। আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন অথবা আদালত সি বি আই তদন্তের নির্দেশ দিক। মামলায় আবেদনকারীরা বলেছেন— ৪ঠা এপ্রিল বালুরঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মীসভায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এবং তৃণমূলের ঘরের ছেলেরাই চাকরি পাবে।’ পর্ষদের সভাপতিই যদি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মীদের প্রাথমিক শিক্ষকপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন তাহলে সাধারণ চাকরি প্রার্থীরা কীভাবে শিক্ষক পদে চাকরি পাবে?